হোমনায় করোনা পজিটিভ স্বামীসহ এলাকা থেকে পালালো নারী

794

চ্যানেল ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডেস্কচ্যানেল ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডেস্ক: হোমনায় এক নারীর করোনা ভাইরাস পজেটিভ  আসায় স্বামীসহ এলাকা থেকে  শিল্পী (২৪) নামের এক নারী পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই নারীর বাড়ি ঢাকা জেলার সাভার উপজেলায়,এই ঘটনায় নারীর স্বামীর কর্মরত উপজেলা সদরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল লকডাউন করে দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। আজ বুধবার হাসপাতালে কর্মরত ৯ জন স্টাফ এর নমুনা সংগ্রহ করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। নমুনা পরীক্ষার সময় মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভুল ঠিকানা ব্যবহার করেন এই নারী।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা সদরের সেন্ট্রাল হাসপাতাল নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত ল্যাব টেকনিশিয়ান টাঙ্গাইল জেলার বাসিন্দা আশরাফ হোসেনের স্ত্রী সাভারে বসবাসরত শিল্পী বেগম ঈদের আগের দিন ২৩ মে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ করোনা উপসর্গ থাকায় নমুনা দেন এই নারী,এসময় তার ঠিকানা পৌর এলাকার বাগমারা গ্রাম দেখানো হয়, গত ২৬ মে ওই নারীর রিপোর্ট পজিটিভ আসে, তার বাড়ি লকডাউন করতে তার উল্লেখ করা ঠিকানা বাগমারা গিয়ে এই দম্পতির কোন অবস্থান খুঁজে পায়নি উপজেলা প্রশাসন, পরে উপজেলা সদরে সেন্ট্রাল হাসপাতাল নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার স্বামীর কর্মস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বামীকেও না পেয়ে‌ উপজেলা প্রশাসন‌ লকডাউন করে দেয় হাসপাতালটি,।নারীর করোনা ভাইরাস রিপোর্ট পজিটিভ আসার খবর পেয়ে স্বামীসহ এলাকা থেকে পালিয়ে যায় এ নারী। আজ বুধবার সেন্ট্রাল হাসপাতালে কর্মরত ৯ জন স্টাফ এর নমুনা সংগ্রহ করেছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবদুস সালাম শিকদার জানান, ঈদের আগের দিন করো না উপসর্গ থাকা শিল্পী নামের এক নারী নমুনা দেন রিপোর্টে তার করুণা পজেটিভ আসে এই ঘটনায় তার দেওয়া ঠিকানায় আমরা গিয়ে তাকে খুঁজে না পেয়ে উপজেলা সদরের সেন্ট্রাল হাসপাতালে তার স্বামীর  কর্মস্থলে গেলে তাকে খুঁজে পাইনি পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসপাতালটি লকডাউন করে দেন। আজ হাসপাতালে 9 জন স্টাফ এর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপ্তি চাকমা জানান,করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসার পর ওই নারীর বাড়ি লকডাউন করতে তার ঠিকানা মত বাগমারা গ্রামে গিয়ে তাকে খুঁজে না পেয়ে স্বামীর কর্মস্থল সেন্ট্রাল হাসপাতালে যাই সেখানেও স্বামীকে পাওয়া যায়নি পরে হাসপাতালটি লকডাউন ঘোষণা করি, নারী এখন  সাভার এ আছেন না বললে জানতে পেরেছি, স্বামীর সাথে আমার টেলিফোনে কথা হয়েছে, সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করছি যাতে তাকে  লকডাউন করে রাখা হয়।