বাঞ্ছারামপুরে ৮ম শ্রেণীর ছাত্রীকে গনধর্ষণের অভিযোগ

474

ব্রাহ্মণবাড়িয়া  বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে  ৮ম শ্রেনীর একছাত্রীকে গনধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্যাতিত   কিশোরিকে   ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় নির্যাতিত   কিশোরির    বাবা  বাদি হয়ে গতকাল শুক্রবার     বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। সে বাহেরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের অস্টম শ্রেণীর ছাত্রী।ধর্ষণের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে বাহেরচর গ্রামের উত্তরপাড়ার ইমান্দি বেপারী বাড়ির ছানা উল্লাহ  ছেলে ইমন মিয়া (১৯), মৃত আবদুল দানিস মুকুল হোসেন (২৭), মো মবিন মিয়া র ছেলে ইয়াছিন আরাফাত (২৩)কে গ্রেফতার করেছে বাঞ্ছারামপুর থানা পুলিশ। মুল ্আসামী আলী হোসেনের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২৬)। এই ঘটনায় পর থেকে পলাতক রয়েছে।  এই ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।  বিচারের দাবিতে ফুঠে উঠেছে এলাকার মানুষ। থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে্তেউপজেলার মানিকপুর েইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে গত বুধবার রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হয়  কিশোরটি। সেখানে পূর্বে থেকে ওৎ পেতে থাকা সাদ্দা হোসেন ও তার সহযোগীরা তার নাক মুখ চেপে ধরে পাশের বাহেরচরে নির্মানাধীন ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম কলেজের উত্তর পূর্ব পাশে জমিতে নিয়ে যায়। সেখানে প্রথমে  কিশোরীকে এলোপাথারীভাবে কিল, ঘুষি মেরে মারাত্মকভাবে জখম করে। তারপর সাদ্দাম হোসেন , মকুল হোসেন    ইমন মিয়া, ইয়াছিন আরাফাত কিশোরিকে   জোপূর্বক  পালাক্রমে ধর্ষণ করে । শুধু তাই নয় ধর্ষণের  পুরো ঘটনাটি তারা মোবাইল ফোনে ধারণ করে। এই ঘটনা বাড়িতে জানালে ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখায় এবং তার বাবা মা সহ পুরো পরিবারটি আগুনে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে শেষ করে দিবে বলেও হুমকী দেয়। এদিকে মেয়েকে অনেক খোঁজাখুজির পর না পেয়ে আলাউদ্দিন ও তার স্ত্রী শোরচিৎকারে  পাড়া প্রতিবেশী ছুটে আসেন। রাত ১২টার দিকে  বাড়িতে আসে। পলি আক্তার। পরদিন  কিশোরী পরিবারের লোকজনকে বিষয়টি জানালে পরিবারের সদস্যরা   থানায় গিয়ে উপস্থিত হয় এবং নিযাতিত কিশোরীরর বাবা বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামী করে মামলা করেন । বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সালাহউদ্দিন চৗধুরী জানান,ঘটনার খবর পেয়ে আমি নিজে অভিযান চালিয়ে ৩জনকে গ্রেফতার করিিআরেক আসামী সাদ্দামকে ধরতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হয়েছছে।