কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় ক্ষিরার চর খালের উপর ভাঙ্গাচুড়া সেতইু ভরসা এলাকার ২ ইউনিয়নের ১৯ গ্রামের ৩০ হাজার মানুষের, খালের উপর নতুন সেতু নির্মানের দাবী এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের হলেও নতুন সেতু নির্মান না হওয়ায় হতাশ এলাকার লোকজন ।ঝুকিপূর্নএ সেতু ও বাঁশের সাঁকোু দিয়ে এলাকার মানুষ ও শিক্ষার্থীদের পেরিয়ে যেতে হয় । বাশের সাঁকোতে চলাচলে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের পোহাতে হয় দুর্ভোগ। এই সেতু দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে প্রায়ই দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন এলাকার লোকজনকে। ৪০ বৎসর আগে খালের উপর নির্মিত সেতু দিয়ে যাতায়াতে অযোগ্য হয়ে পড়ায় ও সংযোগ সড়কে মাটি না থাকায় বাঁশের সাকু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে এলাকার লোকজন। খোজ নিয়ে জানাগেছে, উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের সেনেরবাজার গ্রামের পশ্চিম পার্শে পার্শ্ববর্তী বাহেরখোলা ইউনিয়নে ক্ষিরার চর গ্রামের সংযোগ স্থাপনকারী ক্ষিরার চর খালের উপর সেতুটি ব্যবহারের অনুপযোগি হয়ে পরায় এবং বিকল্প সড়ক না থাকায় বাঁশের সাকু দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে এলাকার মানুষ ঝুকি নিয়ে যাতায়াত করছে, ২ ইউনিয়নের ১৯ গ্রামের ৩০হাজার মানুষ। ঝুঁকিপূর্ণ এই সেতু ও সাকু দিয়ে পারাপার হতে গিয়ে অনেকেই শিকার হচ্ছেন দূর্ঘটনার।উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের সেননগর, দড়িকান্দি, দক্ষিণ কান্দি, চাওলা ঘাটা, জয়নগর, চরপাথালিয়া, মহেশখোলা, আলিপুর, বিনোদপুর, করিমাবাদ, হিজলতলী, মির্জানগর ও ভাওরখোলা ইউনিয়নের খিরাচক খাসের গাও,দড়ি মির্জানগর, ওমরাকান্দা, ভারতপুর নোয়াগাও, ভাওরখোলা সহ এই অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় প্রতিদিন নারী, পুরুষ, শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন।খিরারচক বাজার, সেননগর বাজার, আলিপুর ঘাট, দৌলত হোসেন হাইস্কুল ও ভাটের চর -মেঘনার আঞ্চলিক সড়কের কদমতলা হয়ে রাজধানী ঢাকা বা জেলা শহর কুমিল্লায় যাতায়াতের এই অঞ্চলের জনগণের এই পথ টি খুবই গুরুত্বপুর্নসেতুর উপর সেতুনা থাকায় চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে অন্য দিকে প্রয়োজনের তাগিদে ৫ কিলোমিটার ঘুরে অতিরিক্ত অর্থ ও সময় অপচয় করে যাতায়াত করছেএলাকার লোকজন। খালের উপর সেতু না থাকায় অসুস্থা রোগীদের বিকল্প পথে অনেক পথ ঘুরে উপজেলা সদরে যেতে হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা নৌকা ও শ্রমিক দিয়ে তাদের প্রতিষ্ঠানে মালামাল আনা নেওয়া করছেন। দীর্ঘ ১০ বৎসর যাবৎ এই বাঁশের সাকু দিয়ে গ্রামবাসী যাতায়াত করলেও সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। এই এলাকার মানুষ দূর্ভোগের প্রতিক হয়ে দাড়িয়ে আছে এই বাঁশের সাকু। সরেজমিন ক্ষিরার চর খালে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার সেনেরচর গ্রাম ও ক্ষিরার চর গ্রামে মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ক্ষিরারচর খাল। এই খালের উপর প্রায় ৪০ বৎসর আগে এলাকার মানুষের যাতায়াতের জন্য একটি সেতু নির্মাণ করা হয় যা এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় হয়েছে। সেতুর খালের অংশের কলামের ডালাই ধ্বংসে গিয়ে রড বেরিয়ে আছে। সবগুলো রেলিং ভাঙ্গা। সেতুর পূর্ব প¦ার্শে সংযোগ সড়কে ৭০ ফিটের মতো মাটি নেই। এই জায়গায় বাঁশের সাকু দিয়ে গ্রামবাসী ও শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করছে ঝুঁকি নিয়ে।দীর্ঘ দিন যাবত সেতুটি চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পরে থাকলেও পুণ:নির্মানে কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ক্ষিরারচর গ্রামের শাহাজান মিয়া জানান, আমাদের একমাত্র চাওয়া এই সেতু নির্মাণ করা হউক। আমি ছোট কাল থেকেই এই ভাবেই পার হয়ে আসছি। এই সেতু আমাদের এলাকার মানুষের প্রানের দাবী,অনেকবার এসে মেপে নিয়ে গেছে কিন্তু সেতু নির্মান হয়নি,এই এলাকার ৩০ হাজার মানুষকে দূভোগ পোহাতে হচ্ছে খালে সেতু না থাকার জন্য। রিক্সাচালক শাহাবুদ্দিন জানান, খিরারচর বাজারের ব্যবসায়ী সফিকুল ইসলাম জানান, খালের উপর সেতু না থাকায় মালামাল আনতে হচ্ছে ৫/৬ মাইল পথ ঘুরে এতে আমাদের খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে।দ্রত এই সেতু নির্মানের দাবী জানাচ্ছি। অষ্টম শ্রেণি শিক্ষার্থী সিহাব জানান, স্কুলে যাওয়ার সময় সাকু পার হবার সময় ভয়ে থাকি কখন নিচে পড়ে যাই, অনেকে ভয়ে পার হতে না পেরে অন্য ভাবে স্কুলে যাচ্ছে। গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাঈনুদ্দিন মুন্সী তপন বলেন ব্রিজটি এই এলাকার জনগণের জন্য খুবই গুরুত্ব¡পূণর্,একবার ৩০ মিটার ব্রিজের জন্য সার্ভে হলেও আমরা উপজেলা সমন্বয় মিটিং এ ৫২ মিটার ব্রিজের আবেদন জানালে সেই মোতাবেক প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে আশাবাদী অচিরেই টেন্ডার হবে, তবে কর্তৃপক্ষ কে অনুরোধ করবো এলাকার মানুষের দূর্দশা লাঘবে যেন দ্রুত পদক্ষেপ নেন। , মেঘনা উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যারয়ের উপ-সহকারী প্রৌকশলী মিজানুর রহমান জানান, খিরারচর খালের উপর নতুন সেতু নির্মান করতে একটি প্রস্থাব আমরা কয়েকমাস আগে ঢাকায় পাঠিয়েছি আশা করি এইমাসে প্রস্তাব পাশ হবে তারপর জেলায় আসবে তারপর টেন্ডার হবে।